যাই খাবেন চিবিয়ে খাবেন ভালো করে
এতো আমরা সবাই জানি খাবার কিভাবে চিবাতে হয় এবং এই সহজ কাজটি পরিপাকে সাহায্য করে।
প্রতিদিন এক লিটারের মত লালা যা মুখের গহ্বরে নিঃসৃত হয়, সেই লালাও
পরিপাকে সাহায্য করে।
ভালো করে চিবিয়ে খাবার খেলে এবং লালার সাথে মিশালে শুরু হয় হজমের জাদুক্রিয়া।
চিবিয়ে চিবিয়ে খেলে খাদ্য ছোট ছোট অংশে পরিণত হয়, এতে গিলতে হয় সুবিধা। আর লালা এর সঙ্গে মিশলে খাবারের ছোট-মাঝারি গোলা তৈরি হয় আর গিলতে তখন মজা। খাদ্যনল দিয়ে সাবলীল গতিতে খাদ্য পৌঁছে যায় পাকস্থলীতে।
খাদ্যনালী ও পাকস্থলী দুটো যন্ত্রই তেমন কষ্ট পায় না।
ভালো করে চিবানো খাবার পাকস্থলীতে গেলে পরিপাক রসের সঙ্গে মিশে সহজে। আর তেমন খাবার হজম করতে শরীরেরও শক্তি ক্ষয় হয় কম।
ভালো করে চিবালে পুষ্টিকণার উৎসার হয় দ্রুত, আত্মীকরণও হয় সহজ।
আরো কথা আছে। মুখের ভেতর খাবার বেশি সময় থাকলে এবং ভালো করে খাবার চিবালে জিব খাবারের ফ্লেভার চিনতে পারে।
জিব ফ্লেভার চিনতে পারলে সংকেত পাঠায় মগজে, মগজ পালাক্রমে সংকেত পাঠায় পরিপাকতন্ত্রে, তখন সেখান থেকে ঝরে পাচকরস। সঠিক পাচকরস।
চিবিয়ে খেতে হলে লালার কাজও কম নয়। কিছু কাজ লালা করে নিজে থেকেই। আগে গোড়ার কথা বলি।
শরীর খাবারকে কাজে লাগানোর আগে খাবারের উপর অনেক কিছুই ঘটে যায়। পরিপাক কাজের কথা বলছিলাম।
খাদ্যকে পরিবর্তন করার বা ভেঙে টুকরো টুকরো করার পর এমন একটি ছোট রূপ বা গঠন হয়, যা শরীর ব্যবহার করতে পারে-আর এই প্রক্রিয়া হলো পরিপাক। তাই পরিপাক হলো খাবারের বড় বড় অংশ ভেঙ্গে ছোট ছোট অংশে পরিণত হওয়া। এজন্য খাবারকে চিবানো, খাবার লালার সঙ্গে মিশে যাওয়া, পাচকরসের এনযাইম ও খনিজগুলো খাবারকে হজমে সাহায্য করা-এমনসব কাজকর্ম হয় পরিপাকতন্ত্রের ভেতর। মুখের ভেতর খাবার গেলেই শুরু হয় পরিপাক। জমাত দিনার পাঁচ থেকে চেক টিকাট
খাবারকে যখন আমরা চর্বণ করি, তখন দাঁতগুলো খাবারকে কেটে, ছিড়ে, পিষে, গুড়িয়ে ছোট ছোট টুকরায় ভেঙ্গে ফেলে।ক
তখনই লালা গ্রন্থিগুলো থেকে আসে লালা। প্যারোটিড, সাব-ম্যাক্সিলারি, ও সাবলিংগুয়াল গ্রন্থি তিনটি থেকে আসে এই লালা।
লালা মিশে খাবারের সঙ্গে।
#অডিওবুক
#বাংলা_অডিওবুক